• Facebook
  • Yahoo
  • Google
  • Live
116 views

অনলাইনে ভুয়া প্রোফাইল খুলে হয়রানি, ভুয়া প্রোফাইল থেকে বিব্রতকর ছবি পাঠানো এসব যেন এখন প্রতিদিনকার খবরবেশ কয়েক বছর আগেও ব্যাপারগুলো শুধু টিভি মিডিয়ার মানুষদের সাথেই ঘটত। কিন্তু বর্তমান কালে হয়রানির স্বীকার সবাই।যার ফলাফল হিসেবে আমরা শুনতে পাচ্ছি আত্মহত্যার খবর এবং  আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেঁচে গেছে-এমন সংবাদ আবার,অনেক ঘটনা অপ্রকাশিতই থেকে যায় যৌন হয়রানি বা শোষণ থেকে শিশুরাও বাদ পড়ছে না     

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধের মধ্যে ধর্মীয় উস্কানি দেয়ার বিষয়টিও চোখে পরার মত।কিশোর বয়সীরা (১৬ থেকে ১৭ বছর) অন্য বয়সী শিশুদের তুলনায় অনেক বেশি এই ধরনের উস্কানিমূলক বিষয়বস্তুর সম্মুখীন হয়।

গবেষকেরা বলেন, নারী কিশোরীরা ধরনের সাইবার সহিংসতার প্রাথমিক লক্ষ্য হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০১৪ সালের সমীক্ষায় বলা হয়, অনলাইন সহিংসতা লিঙ্গ বয়সভেদে বেশি দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রে হাজার ৮৪৯ জনকে নিয়ে চালানো সমীক্ষায় দেখা যায়, ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ২৬ শতাংশ নারী অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়েছেন। ছাড়া ২৫ শতাংশ নারী অনলাইনে যৌন নিপীড়নের কথা বলেছেন। পুরুষের ক্ষেত্রে শতাংশ তরুণ অনলাইন নিপীড়ন ১৩ শতাংশ অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার কথা বলেন

অনলাইনে যৌন হয়রানি বা শোষণ প্রতিরোধ বা প্রতিকারের ক্ষেত্রে আমাদের ঝুঁকিগুলো চিহ্নিত করতে হবে এবং বেশকিছু শক্ত সমস্য মোকাবিলা করতে হয়। যেমন, সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়,ঝামেলা আরও বেশি প্রকট হওয়ার ভয় এবং আাইনগত বিভিন্ন ঝামেলা এড়ানোর জন্য মানুষ মামলা করতে ভয় পায় আর যার ফলাফলস্বরূপ  থানায় যায় না। আমাদের দেশে এখনো সাইবার তদন্ত ও সাইবার ফরেনসিক ইস্যুতে তদন্ত কর্মকর্তারা  যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করেননি। ৯০ শতাংশ বা এরও বেশি শিকার মহিলা। তাই আমাদের সব সময় চোখ, কান খোলা রাখা দরকার এবং তাদের সচেতন করা দরকার। সাইবার বিশ্বের নিরাপদ স্থান সম্পর্কে মানুষ সচেতন নয়। অন্যদিকে একমাত্র সাইবার ট্রাইবুনালটি ঢাকায় অবস্থিত এবং দক্ষ আইনবিদেরও অভাব রয়েছে।

অনলাইনে যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে প্রাথমিকভাবে উল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে অনুসরণ করা জরুরি।সামাজিক যেকোনো মিডিয়া অ্যাকাউন্টের জন্য আমাদের আলাদা ই-মেইল ঠিকানা  ব্যবহার করা,সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত; বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু তৈরি করার আগে আমাদের বারবার চিন্তা করা উচিত; নিজের পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে না দেওয়া; অনলাইনে অপরিচিত কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা; অনলাইনে কেউ উত্ত্যক্ত করলে, সন্দেহজনক আচরণ করলে তা মা-বাবাকে বলা; কারও অনুরোধে ওয়েব ক্যামেরা বা মোবাইল ফোনের ক্যামেরার সামনে কোনো ধরনের শারীরিক অঙ্গ-ভঙ্গি কিংবা অঙ্গ প্রদর্শন না করা।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইন্টারনেটে ধরনের অপকর্ম করে নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখার সুযোগ নেই। ধরনের অপকর্ম করে অনেকেই ভাবেন, তাঁদের পরিচয় কেউ জানবে না, তাঁরা পার পেয়ে যাবেন। কিন্তু তাঁদের সে সুযোগ নেই।  কারণ, সাইবার রিভেঞ্জের ক্ষেত্রে ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট তো থেকেই যায়। তবে সবাইকে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।

 


 

 

Posted in: Family & Home, Society
Be the first person to like this.