• Facebook
  • Yahoo
  • Google
  • Live
Mehedi Hasan
by on April 10, 2019
266 views

আল্লাহ পাক বড়োই ভালোবেসে বিশ্বমানব সভ্যতা সৃষ্টি করেছেন।এই সভ্যতা পৃথিবীর বুকে টিকে থাকার জন্য মানবজাতির বংশবৃদ্ধি অপরিহার্য। বংশবৃদ্ধির এই ধারা সঠিকভাবে অব্যাহত রাখার জন্য একমাত্র বৈধ ও পবিত্র মাধ্যম হচ্ছে বিবাহ।আর এই বিবাহে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে বিবাহ।এক্ষেত্রে প্রথমেই আসা যাক পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে।
কথায় আছে" সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে"। সাধারণভাবে সমাজে আমরা দেখতে পাই যে,বিবাহের ক্ষেত্রে পাত্রীর বংশ-মর্যাদা ধন-সম্পদ রুপ-লাবণ্যকেই মুখ্য বিষয় হিসেবে বিবেচনা  করা হয়।অথচ পাত্রীর পরহেজগারিতা সচ্চরিত্র,  চারিত্রিক গুণাবলীর বিষয়গুলো গণ্য করা হয় একেবারে গৌণবিষয় হিসেবে।পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সে কোন স্কুলে পড়াশোনা করছে তা না দেখে কোন পরিবেশে বড় হয়েছে তা দেখা উচিত। বলা হয়ে প্রচলিত আছে" আটাগুনে রুটি।আমাদের সমাজে ধরেই নেয়া হয় ডাক্তারের বঊ ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার এর বউ ইঞ্জিনিয়ারই হবে।তবে এটা কিন্তু কোন বাধ্যতামূলক বিষয় নয়।একজন মা যেমনি হন কেন তার প্রভাব সন্তানের উপর পড়বেই। আজ আপনি যাকে আপনি স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করছেন আগামীকাল ওনিই কিন্তু আপনার সন্তানের মা হবেন।এক্ষেত্রে একজন নেক স্ত্রী কিন্তু সহজেই তার সন্তানসহ পুরো পরিবারকেই দ্বীনের পথে নিয়ে আসতে পারেন।আর এক হাদিসে প্রিয় নবীজী ও নেককার স্ত্রীকে দুনিয়ার সর্বশ্রেস্ট সম্পদ বলে আখ্যায়িত করেছেন।একজন পাত্রী বাহ্যিক সুন্দর আচরণ আর চারিত্রিক রুপ-লাবন্যের অধিকারী হতেই পারেন।কিন্তু 
শুধুমাত্র এতে তার বাহিরের দিকটুকুই প্রকাশিত হয়।অভ্যন্তরীণ দিকটি অপ্রকাশিতই থেকে যায়।এজন্য পাত্রী নির্বাচনের বেলায় আল্লাহভীরুতাকেই সর্বাধিক প্রাধান্য দিতে হবে। এজন্যই নবীজী বলেছেন- একজন মেয়েকে চারটি গুণের ভিত্তিতে বিয়ে করা হয়।
তার সম্পদের কারনে, তার সৌন্দর্যের কারনে,এবং তা পরহেজগারিতার কারনে। তুমি পরহেজগার মেয়েকে বেছে নিয়ে সফলতা লাভ কর।(মুসলিম হাদিস:১০৮৬)
এখন আসা যাক, পাত্র নির্বাচনের ব্যাপারে।ইদানীং বিয়ের পাত্র নির্বাচন করতে গিয়ে তার সৌন্দর্য, বংশমর্যাদা , অর্থনৈতিক স্বাবলম্বনকেই অbনেক বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।
অথচ এক হাদিসে নবীজী বলেছেন -যদি এমন কোনো পাত্র তোমাদেরকে প্রস্তাব দেয় যার সততা ধার্মিকতা তোমাদের নিকট সন্তোষজনক তাহলে তোমরা তাকে বিবাহ দিবে।(তিরমীযি- ৩৯৪)
মোটকথা   পাত্র-পাত্রী উভয়েরই নির্বাচন ক্ষেত্রে দ্বীনদারীর বিষয়টি অবহেলা করা হচ্ছে।যার ফলশ্রুতিতে অনেক মুসলিম ঘরের ছেলে-মেয়েরাও আজ নাস্তিক হয়ে যাচ্ছে।এছাড়াও স্বামী -স্ত্রীর বিবাদ চরম আকার ধারণ করছে।অতীতের তুলনায় বিবাহ-বিচ্ছেদ পরকীয়ার মতব্যাধি বহুগুণে বেড় যাচ্ছে।

Posted in: Family & Home
Be the first person to like this.